দক্ষিণ কোরিয়া থেকে প্রসাধনী রফতানি ২০২৫ সালে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে। বছরজুড়ে ১ হাজার ১৪০ কোটি ডলারের কে-বিউটি পণ্য রফতানি হয়েছে বলে জানিয়েছে দেশটির খাদ্য ও ওষুধ নিরাপত্তাবিষয়ক মন্ত্রণালয়। খবর কোরিয়া হেরাল্ড।
তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কোরিয়ার প্রসাধন রফতানি আগের বছরের তুলনায় ১২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়েছে, যা এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বার্ষিক রেকর্ড। এছাড়া মাসিক ভিত্তিতে সেপ্টেম্বরে রেকর্ড ১১৫ কোটি ডলারের বেশি মূল্যের কে-বিউটি পণ্য রফতানি হয়েছে।
গত বছর দক্ষিণ কোরিয়ার প্রসাধনী পণ্য ২০২টি দেশে রফতানি হয়েছে, ২০২৪ সালেও এসব প্রসাধনী আমদানি করা দেশের সংখ্যা ছিল ১৭২। ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়া ও লাতিন আমেরিকায় রফতানি সম্প্রসারণের মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে খাতটিতে প্রবৃদ্ধি এসেছে।
কোরিয়ান কসমেটিকসের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। গত বছর এ বাজারে রফতানি ২২০ কোটি ডলারে পৌঁছেছে। ২০২১ সালে রফতানিতে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল যুক্তরাষ্ট্র। কিন্তু এর পর থেকে ধারাবাহিকভাবে দেশটিতে কে-বিউটি পণ্য আমদানি বেড়ে চলেছে এবং ২০২৩ সালে প্রথমবার ১০০ কোটি ডলার ছাড়িয়ে যায়।
যুক্তরাষ্ট্রের পর চীন ২০০ কোটি ও জাপান ১১০ কোটি ডলারের কে-বিউটি পণ্য রফতানি করে যথাক্রমে দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থানে রয়েছে। দেশ দুটিতে রফতানি বেড়েছে যথাক্রমে ১৯ দশমিক ২ ও ৫ শতাংশ। শীর্ষ ১০টি গন্তব্যস্থল মোট রফতানির ৭০ দশমিক ৭ শতাংশ হিস্যা দখল করে আছে। গত বছর অষ্টম ও নবম গন্তব্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) ও পোল্যান্ডে রফতানি বেড়েছে যথাক্রমে ৬৯ দশমিক ৭ ও ১১১ দশমিক ৭ শতাংশ।
পণ্যভিত্তিক হিসেবে শীর্ষ রফতানি পণ্য ছিল বেসিক স্কিন কেয়ার পণ্য, যার সম্মিলিত মূল্য ৮৫৪ কোটি ডলার। মেকআপ ও ক্লিনজিং পণ্য রফতানি হয়েছে যথাক্রমে ১৫১ ও ৫৯ কোটি ডলারের। এছাড়া সুগন্ধি রফতানির হার সবচেয়ে দ্রুত বেড়েছে। এ ধরনের পণ্যের রফতানি ৪৬ দশমিক ২ শতাংশ বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ৬ কোটি ডলারে।